1. ajkernirbangla@gmail.com : দৈনিক আজকের নীরবাংলা : দৈনিক আজকের নীরবাংলা
  2. info@www.ajkernirbangla.com : দৈনিক আজকের নীরবাংলা :
বুধবার, ১৭ জুলাই ২০২৪, ০৭:২৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
ফতুল্লার নন্দলালপুরের ভূমিদস্যু প্রতারক আলতাফ হোসেন গ্রেফতার শৈলকুপায় সামাজিক দ্বন্দ্বের বলি ২৫ কৃষকের ৪০ বিঘা জমির কলাগাছ! শাক দিয়ে মাছ ঢাকতে চায় না’গঞ্জ পাসপোর্ট দপ্তর কেঁচো খুড়তে সাপ বেড়িয়ে আসছে! আ’লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে খান মাসুদের পক্ষ থেকে বিশাল মিছিল না’গঞ্জ সাংবাদিক ইউনিয়নের নির্বাচনে সালাম-স্বপন-শাওন প্যানেলের মনোনয়ন জমা না’গঞ্জে মেট্রোরেলসহ কুয়াকাটার রেলপথে চীনের বিনিয়োগ চায় সরকার পুলিশ ও ম্যাজিস্ট্রেট ছাড়াই সোনারগাঁয়ে ১৬শ’অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন বন্দরে আলোচিত মনু হত্যায় আটক ২ জাকির খানের বিরুদ্ধে দু’জনের সাক্ষ্যগ্রহণ ফতুল্লা থানা মৎস্যজীবী দলের কমিটি ঘোষণা

সঠিক ভাবে দায়িত্ব পালন করায় প্রশংসায় ভাসছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা কমান্ড্যান্ট মাহবুবুর রহমান সরকার

নিজস্ব সংবাদদাতা
  • প্রকাশিত: বুধবার, ১২ জুন, ২০২৪
  • ৬২ বার পড়া হয়েছে

নারায়ণগঞ্জ জেলা কমান্ড্যান্ট মাহবুবুর রহমান সরকারের দায়িত্ব যেনো অতুলোনিয়। গত ২৯ অক্টোবর ২০২৩ইং তারিখে সারাদেশে হরতাল অবরোধ, দাঙ্গা, হাঙ্গামা, ট্রেন জালানোর নাশকতা বেড়েই চলেছিলো বিভিন্ন জেলাগুলোতে যখন ট্রেন গুলো জালিয়ে দেওয়া হচ্ছিলো ঠিক তখনি নারয়ণগঞ্জ কমিউটার ঠিক ভাবে চলছিলো আর এই নারায়ণগঞ্জ কমিউটার ট্রেনকে আরো সুরক্ষা দেওয়ার জন্য নারায়ণগঞ্জ আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা জেলা কমান্ড্যান্ট তার দায়িত্ব থেকে একচুল নড়েনি তিনি তার ভুমিকা দেখিয়েছে অতুলোনিয়।যাত্রীদের কোনো প্রকার আতংকিতে না পড়ে সঠিক ভাবে যাত্রাপথ শেষ করতে পাড়ে তার জন্য নিজেই মাঠে নেমে তদারকি করেন তবে ভিডিপি সদস্যদের কিছু ভুলের কারণে লজ্জিত হতে হয় তাকে।

জেলা কমান্ড্যান্টের আদেশে ৭০ জন ভিডিপি সদস্যরা নিয়োজিত ছিলো প্রায় টানা ৩ মাসিক ডিউটি পালনের শেষে ভিডিপিরা কয়েক ধাপে বেতন ও রেশন বুঝে পেয়েছে কিন্তু পরবতীতে ১৭ দিনের বেতন বাকেয়া থাকায় ভিডিপি সদস্যরা ক্ষুব্দ হয়। বেশির ভাগ ভিডিপি সদস্যরা কলেজ পড়ূয়া ছাত্র ছিলো তারা তাদের খরচ চালাবে কিভাবে সেই চিন্তাতে পরে যায় ছাত্ররা । গত ১ই ফেব্রুয়ারীতে সরকারী আদেশ অনুযায়ী ৭০ জন হতে ৪০ জনকে দায়িত্ব থেকে সড়ানো হয় পরবর্তীতে ১৩ দিনের জন্য ৩০ জন দায়িত্ব পালন করেন। কলেজ পড়ূয়া ভিডিপিরা চিন্তুা করেন তাদের মনে হয় আর বাকি বেতন দিবেন না তাই একটি অভিযোগ দায়ের করে আনসার ও গ্রমাপ্রতিরক্ষা বাহিনীর অধিদপ্তরে। উক্ত অভিযোগে তদন্ত হিসাবে নারায়ণগঞ্জ আসেন সহকারী পরিচালক শিরিন ও মামুন তারা যাচাই করে উক্ত অভিযোগে সঠিক কোনো তথ্য পাইনি। পরে বিষয়টি সমাধানে নিয়ে আসেন নারয়ণগঞ্জ জেলা কমান্ড্যান্ট মাহবুবুর রহমান সরকার।

তিনি আরও বলেন আরে আপনারা যারা অভিযোগ করছেন তাদের জানাই ধন্যবাদ কারণ আপনারা আমার ইমানকে শক্ত করলেন আবার আমাকে নেক ও সত রাখার জন্য কঠর করলেন। তবে আপনারা অভিযোগ করার আগে আমার সাথে দেখা করতেন বিষয়টা বুঝতেন তাহলে আপনারা মনে হয় অভিযোগটা দিতেন না আরো আমার কাছ থেকে সঠিক কিছু জানতে পারতেন । জেলা কমান্ড্যান্ট এমন জবাব শুনে অবাক হয়ে পড়লেন সকল ভিডিপিরা সাথে সাথে ক্ষমাচাইলেন, জেলা কমান্ড্যান্ট তিনি হেসে ক্ষমা করে দিয়েছেন তবে এখানে শেষ নয় আনাসার ভিডিপি সদস্যদের সাথে ভালো আচারণ , তাদের কে সঠিক বুঝ,সুন্দর ভাবে দায়িত্ব পালন সহ আরো ভালো ভালো কাজের উপদেশ দেন তিনি। আনসার ও ভিডিপি নিয়ম অনুসারে ২১ দিনের মৌলিক প্রশিক্ষন করে গড়ে তোলা হয় ভিডিপি সদস্য , আর এই ২১ দিনের সনদপত্র দিয়ে করতে পারবে আরো ৪০ ধরনের প্রশিক্ষন যেমন, ড্রাইভিং,সুইং,স্কিইন প্রিন্টিং,কম্পিউটার সহ আরো নানান ধরনে শিক্ষানিয়ো প্রশিক্ষন তাছাড়া ১০% সরকারি কোটা থাকছে চাকুরীর ক্ষেত্রে। তবে কয়েক বছর পূর্বে এই মৌলিক প্রশিক্ষন করারজন্য ঘুরতে হতো আবার কখনো কখনো টাকাও খরচ হতো তবে বর্তমানে জেলা কমান্ড্যান্ট সেটাকে সহজ ভাবে বিনা খরচে জামেলা মুক্ত অতি সহজেই মৌলিক প্রশিক্ষন করতে পারবে সাধারণরা আর হয়ে উঠবে একজন ভিডিপি সদস্য। জেলা কমান্ড্যান্টের কাছে যেতে ভয় করতো ভিডিপি সদস্যদের , কোনো বিষয় নিয়ে তথ্য জানার জন্য বা কখনো দায়িত্ব পালনের জন্য কথা বলতে যাওয়া হলেও জেলা কমান্ড্যান্টের কাছে যেতেন না বরং তারা যেতেন কমান্ডারদের কাছে তবে কমান্ডারদের কাছ থেকে ভালো কোনো তথ্য পেতেন না জানান ভিডিপি সদস্যরা ।

যখন জেলা কমান্ড্যান্ট ঘটনাগুলো জানতে পারে যে তার ভিডিপি সদস্যরা তার কাছে যেতে পারেন না, ভয় পাচ্ছে আবার কমান্ডাররা ভালো কোনো তথ্য দিতে পারছেন না, ঠিক তখনি সাথে সাথে আদেশ করেন যেহেতু আমি একজন আনসার ও গ্রামপ্রতিরক্ষা বাহিনীর কর্মকর্তা সেই সাথে জেলা কমান্ড্যান্ট পদে আর এই জেলা যত ভিডিপি কর্মকর্তা আছে থানা অফিসার,থানা ইন্সট্রাক্টর,ভিডিপি কর্মকর্তা সকলের অভিবাবক আমি এবং আমার ভিডিপি কর্মকর্তারা আমার কাছে আসতে পারবে না এটা আর কখনো হবে না । প্রতিটি ভিডিপি সদস্য/সদস্যা গন আমার কাছে আসবে আমার অফিসে বসবে এতে ভয় পাওয়ার কি আছে,তাদের কোনো অভিযোগ থাকলে আমাকে জানাবে তাদের কোনো বিষয় জানার থাকলে আমাকে বলবে আমি আমার যতটুকু হোক আইন মান্য করে সমাধান দেওয়ার চেষ্টা করব আইনের বাহিরে আমি যাবো না। প্রতিটি সদস্যরা তার ব্যবহারে খুশি হোন কারণ তিনি একজন উচ্চ পদের ব্যক্তি তার কোনো অহংকার নেই ভিডিপি সদস্যরা যেকোনো বিষয় নিয়ে তথ্য জানতে চাইলে সঠিক ভাবে তথ্য গুলো বুঝিয়ে দেন কোনটা খারাপ কোনটা ভালো কোন্টা মন্দ কাজ সব কিছুই বুঝিয়ে দেন তিনি।

এছাড়া জেলা কমান্ড্যান্ট তার অফিসকে অনেকটাই স্মার্ট ভাবে গড়ে তুলেছেন, প্রতিটি উপজেলা অফিসে তার ভারপ্রাপ্তকর্মকর্তা ইন্সট্রাক্টর,ইউনিয়ন-কমান্ডার,দলনেতা-দলনেত্রি তাদের জন্য অফিসকে সুন্দর ভাবে সাজিয়ে দিয়েছে। ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা,থানা ইন্সট্রাক্টর,ইউনিয়ন-কমান্ডার,দলনেতা-দলনেত্রি দের কোনো প্রকার গরম না লাগে বা এই তিব্র গরমে কেও হিট স্ট্রক না করে তার জন্য অতিরিক্ত ফ্যানের ব্যবস্থা করে রেখেছেন। যখন ভিডিপরা দায়িত্ব পালন করতেন রেল নিরাপত্তা কাজে নিয়োজীত ছিলেন জেলা কমান্ড্যান্ট প্রতিবার খোজ নিতেন, তাদের কোনো ক্ষতি হয়েছে কিনা সেটাও খেয়াল রাখতেন তিনি । একজন অভিবাবক হিসাবে কাজ করেছেন কোনো ভয় না পেয়ে,নির্ঘুম চোখে ২৪ ঘন্টা টানা ৩ মাস বেপি দায়িত্ব পালন করেন তবে তিনি এই কাজ গুলো পুরুষ্কার পাওয়ার জন্য করেনি বরং দেশের সার্থে জন সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার জন্য করেন সুদ,ঘুষ থেকে বিরত থাকেন নিজের পোশাকের মুল্য করেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট