1. ajkernirbangla@gmail.com : দৈনিক আজকের নীরবাংলা : দৈনিক আজকের নীরবাংলা
  2. info@www.ajkernirbangla.com : দৈনিক আজকের নীরবাংলা :
মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০২৪, ১১:২৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
ফতুল্লার নন্দলালপুরের ভূমিদস্যু প্রতারক আলতাফ হোসেন গ্রেফতার শৈলকুপায় সামাজিক দ্বন্দ্বের বলি ২৫ কৃষকের ৪০ বিঘা জমির কলাগাছ! শাক দিয়ে মাছ ঢাকতে চায় না’গঞ্জ পাসপোর্ট দপ্তর কেঁচো খুড়তে সাপ বেড়িয়ে আসছে! আ’লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে খান মাসুদের পক্ষ থেকে বিশাল মিছিল না’গঞ্জ সাংবাদিক ইউনিয়নের নির্বাচনে সালাম-স্বপন-শাওন প্যানেলের মনোনয়ন জমা না’গঞ্জে মেট্রোরেলসহ কুয়াকাটার রেলপথে চীনের বিনিয়োগ চায় সরকার পুলিশ ও ম্যাজিস্ট্রেট ছাড়াই সোনারগাঁয়ে ১৬শ’অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন বন্দরে আলোচিত মনু হত্যায় আটক ২ জাকির খানের বিরুদ্ধে দু’জনের সাক্ষ্যগ্রহণ ফতুল্লা থানা মৎস্যজীবী দলের কমিটি ঘোষণা

রাজাকার পুত্র মাকসুদকে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বয়কট

বন্দর প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ জুন, ২০২৪
  • ২২ বার পড়া হয়েছে

নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান মাকসুদ হোসেনকে রাজাকারপুত্র হওয়ায় বন্দরের বীর মুক্তিযোদ্ধারা বয়কট করেছে।

গত সোমবার (২৪) জুন দুপুরে বন্দর মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক ভাবে বন্দর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের ডেপুটি কমান্ডার কাজী নাসির আনুষ্ঠানিক ভাবে এ ঘোষনা দেন। সাংবাদিক সম্মেলনে ডেপুটি কমান্ডার কাজী নাসির বলেন, ১৯৭১ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে জয়বাংলা শ্লোগান দিয়ে শপথ নিয়েছিলাম, বাংলাদেশকে স্বাধীন করব।

আমরা মরণপন যুদ্ধ করে বাংলাদেশ স্বাধীন করেছি। বাংলাদেশ স্বাধীন করতে গিয়ে আমাদের মা বোনদের ইজ্জত হারাতে হয়েছে। শহীদ হয়েছে ৩০ লাখ মানুষ। যাদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত এই স্বাধীন বাংলাদেশ। যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা বিরোধী সেই কুখ্যাত রাজাকার ও তাদের দোসরদের আমরা ঘৃণা করি। আমরা তাদের কোন প্রকার ছাড় দিতে পারি না। পারিনা সেই বীর মুক্তিযোদ্ধাদের রক্তের সাথে বেঈমানী করতে।

এ জন্য আমরা বন্দর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডের পক্ষ থেকে ঘোষনা করছি, স্বাধীনতা বিরোধী চক্র ও রাজকারের সন্তানকে ছাড় দেব না আমরা শক্ত হাতে তা প্রতিহত করব। গত ৮ মে বন্দর উপজেলা নির্বাচনে ১৯৭১ সালে দেশদ্রোহী সেই কুখ্যাত রাজাকার রফিক পুত্র মাকসুদ হোসেন টাকার জোরে বন্দর উপজেলার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছে। আমরা বীর মুক্তিযোদ্ধারা তা কোন প্রকারেই মেনে নিতে পারি না।

সদ্য নির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান মাকসুদ হোসেনের পিতা কুখ্যাত রাজাকার রফিক স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালিন সময় পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীদের নিয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল আজিজকে হত্যা করে। শুধু তাই নয় ধামগড় ও মুছাপুরে বিভিন্ন সাধারণ মানুষের বাড়ি ঘরে অগ্নি সংযোগসহ লুটপাট করে। যা সেই সময়ে সে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে রেখেছিল। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর বীর মুক্তিযোদ্ধা আলাউদ্দিনসহ নিরীহ লোকদের অকাতরে হত্যা করে। সেই বর্বর ও কুখ্যাত খুনী রাজাকার রফিকের পুত্র মাকসুদকে বন্দর উপজেলা চেয়ারম্যান হিসাবে প্রত্যখান করছি।

গত ১২ জুন সে উপজেলার দায়িত্ব নেয়ার সময় বন্দর উপজেলার বীর মুক্তিযোদ্ধারা তাকে বয়কট করেছে। বন্দর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সভায় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত নেয়া হয় আমরা রাজাকার পুত্রের সকল অনুষ্ঠান বয়কট করলাম। আমরা তার দ্রুত অপসারন দাবি করছি।

সংবাদিক সম্মেলনে অংশ নেন বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে মোশারফ হোসেন খান, আঃ জাব্বার, আঃ আজিজ, কাজী মোবারক, হাজী লিয়াকত আলী, আঃ ছালাম, হাজী সফিউদ্দিন, রাহিম সাউদ, হাজী নুরুল আমিন, আ: বাতেন, মোজাফ্ফর হোসেন, আলী আক্কাস, মোহাম্মদ হোসেন, আবুল কালাম ও জালাল উদ্দিন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট