1. ajkernirbangla@gmail.com : দৈনিক আজকের নীরবাংলা : দৈনিক আজকের নীরবাংলা
  2. info@www.ajkernirbangla.com : দৈনিক আজকের নীরবাংলা :
বুধবার, ১৭ জুলাই ২০২৪, ০১:৩০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
ফতুল্লার নন্দলালপুরের ভূমিদস্যু প্রতারক আলতাফ হোসেন গ্রেফতার শৈলকুপায় সামাজিক দ্বন্দ্বের বলি ২৫ কৃষকের ৪০ বিঘা জমির কলাগাছ! শাক দিয়ে মাছ ঢাকতে চায় না’গঞ্জ পাসপোর্ট দপ্তর কেঁচো খুড়তে সাপ বেড়িয়ে আসছে! আ’লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে খান মাসুদের পক্ষ থেকে বিশাল মিছিল না’গঞ্জ সাংবাদিক ইউনিয়নের নির্বাচনে সালাম-স্বপন-শাওন প্যানেলের মনোনয়ন জমা না’গঞ্জে মেট্রোরেলসহ কুয়াকাটার রেলপথে চীনের বিনিয়োগ চায় সরকার পুলিশ ও ম্যাজিস্ট্রেট ছাড়াই সোনারগাঁয়ে ১৬শ’অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন বন্দরে আলোচিত মনু হত্যায় আটক ২ জাকির খানের বিরুদ্ধে দু’জনের সাক্ষ্যগ্রহণ ফতুল্লা থানা মৎস্যজীবী দলের কমিটি ঘোষণা

নানান অপকর্মের মুল হোতা এ পাঁচ তারকা!

সত্য প্রকাশ রায়
  • প্রকাশিত: সোমবার, ১ জুলাই, ২০২৪
  • ২৮ বার পড়া হয়েছে

নারায়নগঞ্জ সদর উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের মধ্যে অন্যতম একটি হচ্ছে কাশিপুর ইউনিয়ন। আর এটা ফতুল্লার মধ্যে অন্যতম ক্রাইমজোন । প্রতিনিয়তঃ কোন না কোন অপরাধ ঘটেই চলেছে এই ইউনিয়নে। শাসক দলের শীর্ষ নেতা, নেতার পুত্র, নেতার চেলা চামুন্ডাদের নাম ব্যবহার করে প্রকাশ্যেই চলছে সকল ধরণের অপরাধ। গত বছওে ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড যুবলীগের নেতা আফজাল হত্যাকান্ডের পর অপরাধের ধারাবাহিকতায় প্রকাশ্যে আওয়ামী লীগ নেতা সুরুজ মিয়াকে (৭০) কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটে । যার সিসি ক্যামেরার ভিডিও চিত্র দেখে শিউরে উঠে সকলেই। এ হত্যাকান্ডের ঘটনায় মুল আসামী হীরা, আল আমিন, রাসেল, সানি, বাপ্পি ও জামাল নামে ৬জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

কাশিপুর ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডের মধ্যে সবচেয়ে জঘন্যতম ওয়ার্ড দুটি হচ্ছে ২ ও ৭নং ওয়ার্ড। এ দুটি ওয়ার্ডেই যেন সকল অপরাধীদের অভয়ারন্যে পরিনত হয়েছে। আর এ সকল অপরাধের মুলে হচ্ছে রাজনীতি করলেও দলকে ব্যবহার করে প্রাপ্ত সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হওয়ার ফলে কিছু পাওয়া আশায় অন্যান্য নেতাকর্মী কিংবা ছিচকে নির্ভর নেতৃবৃন্দ তাদের প্রাপ্র্য পাওয়ার জন্য নাকি এত অপরাধ। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ,বিগত প্রায় ১৫ বছর যাবত আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় আসীন রয়েছে। দীর্ঘ এ সময়ে আওয়ামী রাজনীতি সাথে যুক্ত থেকে অনেকেই প্রাপ্র্য অধিকার বঞ্চিত হয়ে ইট-বালু ব্যবসা,মাদক ব্যবসা ও চুরিসহ বিভিন্ন প্রকারের সমাজ বিরোধী কাজে যুক্ত হয়েছে। তবে কাশিপুরে আওয়ামীলীগের মুল ¯্রােতের নেতাকর্মীর চেয়ে বহিরাগত ব্যক্তিরা যারা আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে যুক্ত হয়ে রাতারাতি আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ বনে গেছেন।

বিগত ১৫ বছরে পুরো কাশিপুরের নেতৃত্ব দিচ্ছেন থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি এবং ইউপি চেয়ারম্যান এম.সাইফউল্লাহ বাদল,তার ছেলে নাজমুল হাসান সাজন,কাশিপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি এম.আইউব আলী,সাধারন সম্পাদক এম.এ. সাত্তার এবং কার্যকরী সদস্য রেহান শরীফ বিন্দুর নেতৃত্বেই পুরো ইউনিয়ন জুড়েই চলছে নানা কার্যক্রম। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেক আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ জানান, প্রায় সময়ে অসুস্থ থাকের চেয়ারম্যান সাইফউল্লাহ বাদল। তার শেল্টার ছেলে সাজনের সাথে যুক্ত হয়ে বিন্দু,আইউব আলী এবং সাত্তাররাই নিয়ন্ত্রন করেন পুরো ইউনিয়ন। ভুমিদস্যুতা হতে শুরু করে এমন কোন কর্মকান্ড নেই যা তাদের মাধ্যমে সংগঠিত হচ্ছেনা। গত কয়েক বছর যাবত কাশিপুরে যে পশু হাটটি বসানো হয় তাও তাদের নিয়ন্ত্রনে। এমনকি ফতুল্লা ডিআইটি মাঠে যে বাৎসরিক পশু হাটটি বসে থাকে সেটাও চেয়ারম্যানপুত্র সাজনের নামে চলছে দীর্ঘদিন যাবত।

এছাড়াও কাশিপুর ব্রিজের ঢালে ওরিয়ন গ্রæপের পাওয়ার প্লান্টের ভেতরে বসে নাকি কাশিপুরে সকল প্রকার রাজত্বেও নিয়ন্ত্রন করছেন চেয়ারম্যানপুত্র সাজন এমনটাই বলেন স্থানীয়রা। সরকারী খাস জমি দখলের পাশাপাশি বিভিন্ন নিরীহ মানুষের জমিতে সাইনবোর্ড সাটিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে স্বল্প মুল্যে তা ক্রয় করে বেশী মুল্যে অন্যত্র বিক্রি করাটাই যেন চেয়ারম্যান পুত্র সাজনসহ বিন্দু.সাত্তার ও সাত্তারদের পেশা হিসেবে রুপান্তরিত হয়ে উঠেছে। পুরো কাশিপুর এলাকায় কোন নিচু জমি বালু ভরাটের কাজগুলো এ সাজনদের মাধ্যমেই হতে হচ্ছে জোড়পুর্বকভাবে। এছাড়াও নরসিংপুরসহ আশপাশের এলাকাতেও রয়েছে এ ৫ জনের হস্তক্ষেপ। স্থানীয়দের দাবী,রাজনীতি করতে হলে দলের মিছিল-মিটিংয়ে যে পরিমান খরচ বহন করতে হয় একজন নেতাকে তার জন্য বড় কোন নেতার সহযোগিতা পায়না অনেকেই। তাই দল করে আর্থিকভাবে কোন সুবিধা না পাওয়ার ফলেই কাশিপুরের প্রতিটি পাড়া-মহল্লায় গড়ে উঠেছে ইট-বালুর ব্যবসা।

আর এ ব্যবসা পরিচালনা করতে গিয়ে ছোট-বড় অনেক অপরাধীকে হাতে রাখে উক্ত ব্যবসায়ীরা। কোন একটি কাজ ভাগিয়ে অঅনতে গেলে সেখানে বাধা এলেই শুরু হয় দেশীয় অস্ত্রসহ তান্ডবলীলা। আর এ তান্ডবলীলায় পড়ে নিহত হতে হচ্ছে সুরুজ ও আফজালদের মত নেতাদেরকে। তবে তারা মনে করেন যে, পুরো ইউনিয়ন জুড়েই থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি এবং ইউপি চেয়ারম্যান এম.সাইফউল্লাহ বাদল,তার ছেলে নাজমুল হাসান সাজন,কাশিপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি এম.আইউব আলী,সাধারন সম্পাদক এম.এ. সাত্তার এবং কার্যকরী সদস্য রেহান শরীফ বিন্দুর নেতৃত্ব না থেকে সমানভাবে ভাগ করে দেয়া হতো তাহলে হয়তোবা কাশিপুরের জনপদটি এতটা অশান্ত হয়ে উঠতো না এবং কোন মায়ের বুক খালি হতোনা। তবে কাশিপুরের আপামর জনতা মনে করেন যে,সরকারের ১৫ বছরের ক্ষমতায় চেয়ারম্যান বাদল ও তার ছেলেসহ সঙ্গীয়রা জমি সংক্রান্ত বিষয়ে এবং জমি নিয়ে বিচার সংক্রান্ত বিষয়ে কি পরিমান টাকার মালিক বনে গেছেন তা অনেকইে জানেনা। চেয়ারম্যানের শেল্টারে ছেলে সাজনসহ অন্যান্যদের কাছে জিম্মি কাশিপুরের সর্বস্তরের সাধারন মানুষগুলো। সাংসদ শামীম ওসমান চেয়ারম্যানকে বড়ভাই বলে সম্মান করেন এবং সেই সম্মানকে পুজি করেই চলছে কাশিপুরে এ পাচঁ তারকার যত অবৈধ এবং অনৈতিক কার্যকলাপ। প্রতিটি সেক্টরে এ পাচঁ তারকার পদধনিতে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন কাশিপুরের রাজনীতির অঙ্গন। তবে তাদের দাবী,আওয়ামীলীগের ত্যাগী নেতাকর্মীর চেয়ে বিএনপি-জামাত জোটের নেতাদের উপরই অনেকটা আস্থাশীল চেয়ারম্যান বাদল। যার ফলে সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন সময়ে নিজ দলের নেতাকর্মীর পরিবর্তে বিএনপি-জামাত জোটের নেতারা চেয়ারম্যানের সাথে যুক্ত হয়ে কামিয়ে নিচ্ছেন কোটি কোটি টাকা। আর কোন কিছু না পেয়ে এলাকা ভিত্তির সামান্য ইট-বালু ব্যবসা নিয়ে দ্বন্দে জড়াচ্ছেন ত্যাগী নেতাকর্মীরা এবং ঘটছে আফজাল-সুরুজদের নেতাদেরকে হত্যাকান্ডের মত অনাকাংখিত ঘটনা। যার মুলে কাশিপুরের এ পাঁচ তারকা। কাশিপুরে এ পাঁচ তারকার কবল থেকে ঐতিহ্যবাহী এ দল আওয়ামীলীগকে মুক্ত চায় তৃনমুলের ত্যাগী নেতাকর্মীরা। যদি তা বাস্তবায়ন না হয় তাহলে অদুর ভবিষ্যতে কাশিপুর আওয়ামীলীগে দেখা দিবে ত্যাগী নেতাকর্মীদের শূন্যতা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট