1. ajkernirbangla@gmail.com : দৈনিক আজকের নীরবাংলা : দৈনিক আজকের নীরবাংলা
  2. info@www.ajkernirbangla.com : দৈনিক আজকের নীরবাংলা :
মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০২৪, ১১:১৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
ফতুল্লার নন্দলালপুরের ভূমিদস্যু প্রতারক আলতাফ হোসেন গ্রেফতার শৈলকুপায় সামাজিক দ্বন্দ্বের বলি ২৫ কৃষকের ৪০ বিঘা জমির কলাগাছ! শাক দিয়ে মাছ ঢাকতে চায় না’গঞ্জ পাসপোর্ট দপ্তর কেঁচো খুড়তে সাপ বেড়িয়ে আসছে! আ’লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে খান মাসুদের পক্ষ থেকে বিশাল মিছিল না’গঞ্জ সাংবাদিক ইউনিয়নের নির্বাচনে সালাম-স্বপন-শাওন প্যানেলের মনোনয়ন জমা না’গঞ্জে মেট্রোরেলসহ কুয়াকাটার রেলপথে চীনের বিনিয়োগ চায় সরকার পুলিশ ও ম্যাজিস্ট্রেট ছাড়াই সোনারগাঁয়ে ১৬শ’অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন বন্দরে আলোচিত মনু হত্যায় আটক ২ জাকির খানের বিরুদ্ধে দু’জনের সাক্ষ্যগ্রহণ ফতুল্লা থানা মৎস্যজীবী দলের কমিটি ঘোষণা

আনোয়ারের চমৎকার ব্যবসা!

নিজস্ব সংবাদদাতা
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ জুলাই, ২০২৪
  • ৪২ বার পড়া হয়েছে

মুসলমানদের মৃত্যুর পর তাকে যেখানে দাফন করা হয় সেটা হলো কবরস্থান। সেটা প্রতিটি মুসলমান নর-নারীর জন্য চিরস্থায়ী ঠিকানা। এক সময়ে কবর খোড়াটি ছওয়াবের বিষয় থাকলেও এখন সেই শেষ ঠিকানায় যেতেও অথ্যাৎ কবর খুড়তে গেলে গুনতে হয় অনেক টাকা। আর এ কাজগুলো সম্পাদন হচ্ছে মাসদাইর পৌর কবরস্থানে করোনা যোদ্ধা টিম খোরশেদের অন্যতম সদস্য মোঃ আনোয়ার হোসেনের মাধ্যমে। এমনটাই অভিযোগ পাওয়া যায় লাশ দাফন করতে আসা সাধারন মানুষের কাছ থেকে।

গত কয়েকদিন পুর্বে মাসদাইর পৌর কবরস্থানে লাশ দাফনে আসা অনেক স্বজনদের মুখেই শোনা গেল এমন কথা। এখানে কোন কবর খুড়তে হলে টিম খোরশেদের অন্যতম সদস্য মো.আনোয়ার হোসেনের সাথে প্রথমেই কন্ট্রাক করতে হচ্ছে কতটাকা দিতে হবে নিহতের পরিবারকে। একটি কবর খুড়তে হলে সর্বনি¤œ ৩ হাজার টাকা থেকে শুরু করে ৫ হাজার টাকার অধিকও চাওয়া হচ্ছে। এছাড়াও বাঁশ ও চাটাইয়ের জন্যও নাকি গুনতে হয় আলাদা টাকা। তবে করোনা পৃর্বকালীন সময়ে যিনি এখানে কবর খোড়া ও বাঁশ এবং চাটাই বিক্রি করতেন তাকে নাকি করোনার পর টিম খোরশেদের অন্যতম সদস্য মো.আনোয়ার হোসেন কৌশলে বিদায় করে দিয়ে দখল করেছেন সে স্থানটি। কবর খুড়তে গেলে কেন কন্ট্রাক করতে হচ্ছে তার কোন সদুত্তর মিলছেনা কোথাও। তবে কবরস্থানের সেবায় নিয়োজিত পুরোনো অনেকের মতে,আগে খুশি হয়ে যারা যতটুকু দিতো ঠিক ততটুকুই তারা গ্রহন করতো। তাদের মতে,একটি কবরের জন্য একটি বাঁশ ও ১০টি চাটাই যথেষ্ট। আর এ জন্য সর্বোচ্চ ৮০০ টাকা খরচ হয়।

কিন্তু বর্তমানে আনোয়ার হোসেন এখানে প্রবেশের পর থেকেই সবকিছু উলট-পালট হয়ে গেছে। যদি কোন এলাকা থেকে মৃত.ব্যক্তির স্বজনরা কবর খুড়তে আসেন সে ক্ষেত্রে কবরের বাঁশ ও চাটাইয়ের জন্য সর্বনিন্ম ১৫ শত টাকা দিতে হচ্ছে আনোয়ার হোসেনকে। তারা মনে করছেন যে,কবর খোড়া ও লাশ দাফনকে এখন ব্যবসা হিসেবে নিয়েছেন টিম খোরশেদের অন্যতম সদস্য মো.আনোয়ার হোসেন। এদিকে করোনার পুর্ববর্তী সময়ে যেই বাঁশ ও চাটাই ব্যবসায়ী কবরস্থানে ছিলেন তাকে অত্যন্ত কৌশলভাবে সেখান থেকে বের করে দেন আনোয়ার হোসেন। তবে উক্ত ব্যক্তির কাছ থেকে করোনাকালীন সময়ে লাশ দাফনের জন্য প্রায় ১৮ সেট লাশ দাফনের সরঞ্জামাদি নিলেও তার মুল্য এখনও পর্যন্ত পরিশোধ করেনি টিম খোরশেদের অন্যতম সদস্য মোঃ আনোয়ার হোসেন। বর্তমানে উক্ত ব্যক্তি নাকি পরিবার নিয়ে অনেকটাই সমস্যার মাধ্যমে দিনানিপাত করছেন জানান কবরস্থানের ভেতরে দেখভাল করা কয়েকজন। এছাড়াও সম্প্রতি কবর থেকে কংকালের হাড় বিক্রির পর টিম খোরশেদের অন্যতম সদস্য মোঃ আনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি আইডিতে প্রকাশ করা হয়।

আনোয়ারের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে মাসদাইর পৌর শ্মশানে লাশ দাহ করতে ব্যবহৃত বাঁশ এবং লাশ বহনকারী খাট বা চকি দিয়ে কবরস্থানের ভেতরে তৈরী করা হয়েছে একটি বিশ্রামাগার। কবরস্থানে আগত অনেক মানুষ জানান,আগে লাশ দাফনের পর সেটা কিছু দিনের সুরক্ষিত রাখতে এবং মৃত দেহটি শিয়ালের কবল থেকে রক্ষা করতে বেশ কয়েকটি লোহার খাঁচা ছিলো কিন্তু বর্তমানে তার কোন অস্তিত্ব নেই। মাসদাইর কবরস্থানে রক্ষিত বহু পুরোনো বড় বড় গাছ থাকলেও বর্তমানে তা সংখ্যা খুবই কম। কারন আনোয়ার হোসেন এ বড়বড় গাছগুলোকে কেটে অন্যত্র বিক্রি করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া সিটি কর্পোরেশন জামে মসজিদ নির্মানের পর যে সকল ইমারত সামগ্রী অবশিষ্ট ছিলো (লোহার টুকরো, বাশ, কাঠ এবং থাই) সেগুলোও নাকি বিক্রি করে দিয়েছেন আনোয়ার হোসেন।

আবার শ্মশানে লাশ দাহ করার পর যে বড়বড় বাঁশগুলো অবশিষ্ট থাকে সেগুলো নাকি তিনি কবরস্থানে নিয়ে এসে পোড়া অংশটুকু কেটে ফেলে মুসলমানদের লাশ দাফনের সময় তা ব্যবহার করেন টাকার বিনিময়ে। কবর খোড়া নিয়ে কন্ট্রাক এবং কবরস্থানের মুল্যবান সামগ্রী বিক্রি করা করোনা যোদ্ধা টিম খোরশেদের অন্যতম সদস্য মোঃ আনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগগুলো তদন্ত পুর্বক ব্যবস্থা গ্রহনে নাসিক মেয়র ডা. সেলিনা হায়াত আইভীর সদয় হস্তক্ষেপ কামনা করেন নারায়ণগঞ্জের ধর্মপ্রান মুসলমান।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট